সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ড্রয়ের শঙ্কা যখন প্রবল, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে হাজির হলেন
ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপে। যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে তার ঠান্ডা
মাথার পেনাল্টি গোলে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের নাটকীয় জয় পেয়েছে রিয়াল
মাদ্রিদ। রবিবার রাতের এই জয়ে লা লিগার শিরোপা দৌড়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার
ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে লস ব্লাঙ্কোসরা।
নিজেদের মাঠে অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সহজ জয়ের প্রত্যাশা নিয়েই
মাঠে নেমেছিল আলভারো আরবেওলার শিষ্যরা। বল দখল ও আক্রমণেও ছিল তাদের একচ্ছত্র
আধিপত্য। পুরো ম্যাচের ৫৭ শতাংশ সময় বল নিজেদের পায়ে রেখে প্রতিপক্ষের গোলবার
লক্ষ্য করে ২৩টি শট নেয় স্বাগতিকরা। ম্যাচের মাত্র ১৪তম মিনিটেই ব্রাহিম দিয়াজের
বাড়ানো বল থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রথমার্ধে
এই ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় রিয়াল।
তবে বিরতির পরই পাল্টে যায় খেলার চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই, অর্থাৎ ৪৯তম মিনিটে
দারুণ এক গোলে রায়ো ভায়েকানোকে সমতায় ফেরান জর্জ ডি ফ্রুটোস। গোল হজম করে মরিয়া হয়ে
ওঠে রিয়াল মাদ্রিদ। একের পর এক আক্রমণ শানালেও রায়োর জমাট রক্ষণ কিছুতেই ভাঙতে
পারছিল না ভিনিসিয়ুস-এমবাপেরা। ম্যাচটি যখন ১-১ ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই ঘটে সেই
নাটকীয়তা। যোগ করা সময়ের দশম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর অবৈধভাবে বাধা দেওয়ার কারণে
হলুদ কার্ড দেখেন রায়োর আলফোনসো এস্পিনো, আর পেনাল্টি পায় রিয়াল। সেই সুযোগ কাজে
লাগিয়ে স্পট কিক থেকে জয়সূচক গোলটি করেন কিলিয়ান এমবাপে।
এই ঘাম ঝরানো জয়ে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান নিয়ে লড়াই আরও জমে উঠল। ২২
ম্যাচ শেষে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে রিয়াল মাদ্রিদ।
সমান ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে তাদের ব্যবধান এখন মাত্র
১ পয়েন্টের। অন্যদিকে, ২২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১৭তম স্থানে থেকে অবনমন অঞ্চলে
ধুঁকছে রায়ো ভায়েকানো।
























