ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে
সংঘাত এড়াতে চায় তেহরান, তবে নিজেদের ন্যায্য অধিকার থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পাঠ করা এক লিখিত বার্তায় তিনি এই অবস্থান
তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিনে তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার
কয়েক সপ্তাহ পর দেওয়া এই বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাইনি এবং এখনও চাই না।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে কোনো অবস্থাতেই আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে সরে দাঁড়াব
না। এ ক্ষেত্রে আমরা সমগ্র ‘প্রতিরোধ জোটকে’ একসঙ্গে বিবেচনা করি।’ তার এই
বক্তব্যকে বিশ্লেষকরা লেবাননের পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে মনে করছেন, যেখানে
ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহ-এর সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে
সম্মত হয়েছে ইরান, যা ভবিষ্যৎ শান্তি আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে। এর আগে মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
মোজতবা খামেনি তার বার্তায় আরও বলেন, ‘জনগণের রাস্তায় নামা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।
জনসমাবেশে আপনাদের কণ্ঠস্বর আলোচনার ফলাফলে প্রভাব ফেলবে।’
উল্লেখ্য, তার বাবার ওপর হামলার সময় তিনিও আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নেতৃত্ব
গ্রহণের পর থেকে এখনো তিনি জনসমক্ষে আসেননি; তার সব বার্তাই লিখিতভাবে রাষ্ট্রীয়
টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এক পর্যায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, মোজতবা খামেনি হয়তো মারা গেছেন। তবে
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্যে জানানো হয়েছে, তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ধীরে
ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তার কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে, যদিও সেগুলোর সময়কাল উল্লেখ
করা হয়নি।























