কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পশুবাহী ট্রাকে বা সড়কে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বরদাশত করা
হবে না বলে জানিয়েছেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বুধবার (৬ মে) গাবতলী পশুর হাটের ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে
সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতের বিভিন্ন সরকারের সময় কোরবানির আগে সড়কে চাঁদাবাজির
অভিযোগ থাকলেও, এবার নির্বাচিত সরকারের আমলে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি হবে না। ব্যবসায়ী
ও খামারিরা যাতে নির্বিঘ্নে পশু পরিবহন করতে পারেন, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখা
হচ্ছে।
পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা
ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণে
প্রয়োজনীয় যন্ত্রের পাশাপাশি নকল টাকা রোধে বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া জরুরি
প্রয়োজনে হাটে মেডিক্যাল বুথও বসানো হবে।
পরিদর্শনকালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। তিনি জানান, এবার অত্যন্ত স্বচ্ছ উপায়ে সঠিক করদাতাদের
পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, সিটি কর্পোরেশন
নির্ধারিত ২৭টি হাটের বাইরে যত্রতত্র কোনো পশুর হাট বসালে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মিলিয়ে মোট ২৭টি
কোরবানির পশুর হাট বসবে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে গাবতলীর স্থায়ী হাটসহ
মোট ১৬টি হাট বসার কথা রয়েছে।
হাট পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার ও সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাবৃন্দ।
























