বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বর্তমান বিশ্বে ২১টি দেশে
বাংলাদেশের ২৪টি বাণিজ্যিক উইং রপ্তানি সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। মিশনগুলো
হচ্ছে- ব্রাসেলস, প্যারিস, বার্লিন, মাদ্রিদ, জেনেভা, লন্ডন, মস্কো, আঙ্কারা,
ক্যানবেরা, অটোয়া, ওয়াশিংটন ডিসি, লস এঞ্জেলস, বেইজিং, কুনমিং, নয়া দিল্লী, কলকাতা,
তেহরান টোকিও, জেদ্দা, ব্রাসিলিয়া, কুয়ালালামপুর, সিউল, সিঙ্গাপুর ও দুবাই।
সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার তারকাচিহ্নিত এক
প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগ
আকর্ষণ করে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার প্রাচ্য, দূরপ্রাচ্য, ইউরোপ,
আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক জোট ও অঞ্চলের সঙ্গে
দ্বিপাক্ষিক, বহুপাক্ষিক পর্যায়ে কৌশলগত ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) গঠনে
অগ্রাধিকার দিয়েছে। জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের
প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে শুল্ক হ্রাস, অশুদ্ধ বাধা
কমানো, বাজার প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদার করা
হবে, যাতে রপ্তানি বৈচিত্র্য বাড়ে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে
টেকসইভাবে এগিয়ে যায়।
মন্ত্রী জানান, পণ্য বহুমুখীকরণের পাশাপাশি বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে রপ্তানি
বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে
বাণিজ্য প্রতিনিধিদল পাঠানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, জাতীয় বাজেটে বিভিন্ন পণ্যের উপর আরোপিত আমদানি শুল্ক হ্রাস অথবা
সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১১০টি পণ্যের শুল্ক
রহিত এবং ৬৫টি পণ্যের শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা আমদানি ব্যয় হ্রাসে সহায়ক হবে।
রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকের মধ্যে উদ্ভূত বাণিজ্য বিরোধসহ অন্যান্য জটিলতা নিরসনের
উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

























