প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন থেকে মার্কিন শ্রমমন্ত্রী লরি
শ্যাভেজ-ডিরেমার সরে দাঁড়াচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। কাতারভিত্তিক
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসের পর থেকে ট্রাম্প
অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ছাড়তে যাওয়া তৃতীয় নারী কর্মকর্তা হলেন তিনি।
এর আগে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের সময় বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর ঘটনায় হোমল্যান্ড
সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোমকে বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং চলতি মাসের শুরুতে
অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকেও সরিয়ে দেওয়া হয়।
হোয়াইট হাউসের কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর স্টিভেন চিয়াং এক্সে দেওয়া এক পোস্টে
জানিয়েছেন, শ্যাভেজ-ডিরেমার আমেরিকান শ্রমিকদের সুরক্ষায় অসাধারণ কাজ করেছেন এবং
তিনি এখন প্রাইভেট সেক্টরে একটি পজিশনে জয়েন করতে যাচ্ছেন। তার অবর্তমানে বর্তমান
ডেপুটি লেবার সেক্রেটারি কিথ সান্ডারলিং অ্যাক্টিং লেবার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব
পালন করবেন।
শ্যাভেজ-ডিরেমারের পদত্যাগের কোনো অফিসিয়াল কারণ উল্লেখ করা না হলেও নিউইয়র্ক
পোস্টের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, তিনি একজন সাবঅর্ডিনেট কর্মীর সঙ্গে
ইনঅ্যাপ্রোপ্রিয়েট রিলেশনশিপ গড়ার অভিযোগে ইনভেস্টিগেশনের মুখে ছিলেন এবং অফিস
আওয়ারের মধ্যে নিজের দপ্তরে মদ্যপান করতেন বলে অভিযোগ উঠেছিল।
দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের সঙ্গে ডিরেমারের কিছু পলিসি নিয়ে
ডিফারেন্স ছিল। তিনি ইউনিয়নপন্থী ‘প্রোটেকটিং দ্য রাইট টু অর্গানাইজেশন অ্যাক্ট’ বা
পিআরও অ্যাক্টের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন, যার ফলে ডেমোক্র্যাটদের একটি অংশ এবং
টিমস্টারসের প্রেসিডেন্ট সিন ও’ব্রায়েন তার নিয়োগে সমর্থন দিয়েছিলেন।
তবে সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার অবস্থান ট্রাম্প প্রশাসনের অ্যান্টি-রেগুলেশন
পলিসির সঙ্গে অ্যাডজাস্ট হয়ে ওঠে। কয়লাখনি শ্রমিকদের সিলিকা এক্সপোজার লিমিটেড করার
দাবিতে রেসপন্স করতে দেরি করার কারণে তার মন্ত্রণালয় সমালোচিত হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫
সালে ট্রাম্প যখন ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিসটিকসের ডিরেক্টর এরিকা ম্যাকএন্টারফারকে
বরখাস্ত করেন, তখন শ্যাভেজ-ডিরেমার সেই সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্যে সাপোর্ট করেছিলেন।

























