Ajker Digonto
রবিবার , ২০ অক্টোবর ২০১৩ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন- আদালত
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আলোচিত মামলা
  8. খুলনা
  9. খেলা
  10. খেলাধুলা
  11. চট্টগ্রাম
  12. চট্টগ্রাম বিভাগ
  13. জাতীয়
  14. ঢাকা
  15. তথ্য প্রযুক্তি

আজ সময় এসেছে আওয়ামী লীগের হাত থেকে দেশকে বাঁচান : খালেদা জিয়া

প্রতিবেদক
Staff Reporter
অক্টোবর ২০, ২০১৩ ৭:০৩ অপরাহ্ণ
আজ সময় এসেছে আওয়ামী লীগের হাত থেকে দেশকে বাঁচান : খালেদা জিয়া

bnp_intro_
পোর্টাল বাংলাদেশ ডেস্ক।
২০ অক্টোবর সন্ধ্যায়, ঢাকা মহানগরীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সম্মিলিত পেশাজীবী কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন বেগম খালেদা জিয়া। বক্তব্যের সারমর্ম বা সেলিয়েন্ট পয়েন্টস:
পেশাজীবীদের ধন্যবাদ। সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপো করে, পূর্ব ঘোষিত এই কনভেনশন অনুষ্ঠিত করার জন্য তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য। আপনি দেশের মানুষকে অনেক প্রত্যাশা দিয়েছিলেন কিন্তু সেগুলো আপনি পূরণ করেননি। আপনি নির্বাচনের সময় বলেননি যে, নির্বাচিত হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করবেন। অর্থাৎ আপনি যে কাজটি করেছেন সেটি আপনি জনগণকে না জানিয়ে করেছেন, চুপিসারে করেছেন। জনগণ আপনাকে এই কাজের জন্য ম্যান্ডেট দেয়নি। আপনি কোর্টের দোহাই দিয়েছেন কিন্তু কোর্ট তো আপনাদের। আপনি পার্লামেন্টের কথা বলেন, কিন্তু পার্লামেন্টে একতরফাভাবে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। এই পেশাজীবী সম্মেলন শিতি ব্যক্তিদের সম্মেলন। অথচ এই সম্মেলন কেন্দ্রের বাইরে পুলিশ র‌্যাব ইত্যাদির গাড়ি দেখলে মনে হবে যেন এটা একটা যুদ্ধ ত্রে। এতে আপনার অত্যাচারি চেহারা ফুটে উঠেছে। আপনাকে মানুষ আর বিশ্বাস করে না। আপনি যদি মনে করেন আপনি এখনও জনপ্রিয় তাহলে নিরপে সরকারের অধীনে নির্বাচন দেন। নিরপে সরকারের অধীনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় পেলে, বিএনপি স্বাগত জানাবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গ। আপনাদের নৌকা ফুটো হয়ে গিয়েছে, নৌকায় মানুষ উঠবে না। মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনরা ২০০৮ সালে ধরে ধরে নৌকায় মানুষ তুলে আপনাদেরকে পার করিয়ে দিয়েছে। দেশের মানুষ সুষ্ঠু ও নিরপে নির্বাচন চায়। সেটা আপনাদের অধীনে সম্ভব নয়। কারণ আপনাদের কার্যকলাপ সেটা প্রমাণ করে দিচ্ছে। আপনারা এখনই সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছেন।
পরিস্থিতি। বর্তমানে দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। দেশের কোনো প্রতিষ্ঠানকেই স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না। প্রতিদিন গুম, হত্যা চলছে। সত্য কথা বলার অপরাধে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে কারাগারে রাখা হয়েছে। ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে, এখনও ফেরত দেয়া হয়নি। শিা প্রতিষ্ঠানে অরাজকতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছু হলেই বিএনপি জামায়াতের ওপর দোষারোপ করা হয় যদিও সেগুলো আপনার দলের লোকেরা করে। ঢাকা মহানগরের সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনেকদিন আগেই দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু হেরে যাওয়ার ভয় সরকার দিচ্ছে না। ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত পাঁচটি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে সরকার প হেরে যাওয়ায়, সরকারের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে।
২০০৬ সালে বিএনপি সরকার শেষ হওয়ার পর, ২০০৮ এর জানুয়ারির ২২ তারিখে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আপনারা সেই নির্বাচন হতে দেননি। কারণ আপনারা বিচারপতি কে এম হাসানকে সরকার প্রধান হিসেবে মানেননি। সংবিধান মোতাবেকই তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হওয়ার কথা ছিল। এখন আপনাকে কীভাবে মানা হবে? সংবিধানের দোহাই দিয়ে আপনাকে মানা যাবে না।
মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গ। জিয়াউর রহমান রণাঙ্গণের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন। রণাঙ্গণের মুক্তিযোদ্ধাগণই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। জিয়াউর রহমানের দলই মুক্তিযোদ্ধাদের দল।
দেশ প্রসঙ্গ। এই দেশ চলবে এই দেশের মানুষের কথায়। এই দেশে কারো আধিপত্য বিস্তার চলবে না। এই দেশে নির্বাচিত সরকার আসবে। যখন সরকারের শ্বাস নেয়ার মতো অবস্থা থাকবে না তখন বিচারকরাও ঘুরে দাঁড়াতে পারেন। বিএনপি মতায় গেলে কঠোরভাবে মাদক নিয়ন্ত্রন করা হবে। মাদক দিয়ে আমাদের তরুণ সমাজকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হচ্ছে এবং যুব সমাজকে ধ্বংস করা হচ্ছে। তাই ইয়ং জেনারেশনকে জেগে উঠতে হবে।
সংবিধান প্রসঙ্গ। এখনও সময় আছে, সংবিধান সংশোধন করুন। নির্দলীয় নিরপে সরকার বহাল করুন।
দেশ বাঁচাতে হবে। আজ সময় এসেছে আওয়ামী লীগের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য।
দ্রষ্টব্য: আগামীকাল প্রেস কনফারেন্স বিস্তারিত বক্তব্য আসবে।

সর্বশেষ - অন্যান্য