পাল্লেকেলেতে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আধিপত্য বজায় রেখে এক ম্যাচ হাতে রেখেই
টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিল ইংল্যান্ড। রোববার বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে
ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন (ডিএলএস) পদ্ধতিতে ৬ উইকেটে জয় পায় জস বাটলারের দল। এই জয়ের
ফলে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে লঙ্কানদের বিপক্ষে টানা ১০ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়ল
ইংলিশরা। সর্বশেষ ২০১৪ সালে এই ফরম্যাটে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা।
ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাথুম নিসাঙ্কা ও কামিল মিশারার ব্যাটে
উড়ন্ত সূচনা পায় স্বাগতিকরা। নিসাঙ্কার ২২ বলে ৩৪ এবং মিশারার ৩৬ রানের সুবাদে বড়
সংগ্রহের ভিত্তি পায় তারা। এরপর কুশল মেন্ডিসের ৩২ এবং শেষদিকে চারিথ আসালাঙ্কার ২২
বলে ৪০ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৯ রানের
চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ডের পক্ষে জফরা আর্চার নিয়ন্ত্রিত
বোলিং করে দুটি উইকেট শিকার করেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ফিল সল্ট ও জ্যাকব বেথেলকে হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে
ইংল্যান্ড। ৭.২ ওভারে ২ উইকেটে ৫৭ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। পুনরায়
খেলা শুরু হলে ডিএলএস পদ্ধতিতে ইংল্যান্ডের সামনে নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭ ওভারে ১৬৮
রান। এই কঠিন সমীকরণ মেলাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক জস বাটলার ও টম
ব্যান্টন। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০২তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামা বাটলার ৩৯ রান
করে ফিরে গেলেও, হ্যারি ব্রুক মাত্র ১২ বলে ৩৬ রানের এক বিধ্বংসী ক্যামিও ইনিংস
খেলে জয়ের পথ সহজ করে দেন।
শেষ পর্যন্ত টম ব্যান্টনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ২ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে
পৌঁছে যায় সফরকারীরা। ৩৩ বলে অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হন ব্যান্টন।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৩ রান প্রয়োজন হলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন স্যাম
কারান। এই জয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। মঙ্গলবার একই ভেন্যুতে
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে মাঠে নামবে তারা।






















