রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভা কাগজে-কলমে প্রথম শ্রেণির হলেও মহাসড়ক থেকে গোয়ালন্দ
বাজার প্রবেশের প্রধান সড়ক খানাখন্দে ভরা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় সড়কের
বেহাল দশা এ বিষয়ে দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত সংবাদ প্রকাশের পর পৌর কর্তৃপক্ষের নজরে
আসলে ঈদের আগে জরুরি ভিত্তিতে রাস্তাটি সাময়িক মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছে পৌর প্রশাসক
ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস। তবে ঈদের পর রাস্তাটি নতুন করে কার্পেটিং এর
কাজ শুরু হবে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।
বেশ কয়েক মাস রাস্তাটি খারাপ থাকায় অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন
যানবাহনের চলাচলে জনদুর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলছিল। এ ছাড়া এই সড়কে একজন তরুণের
মর্মান্তিক মৃত্যুসহ ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলছিল। সচেতন নাগরিকরা মনে করেন দীর্ঘ
দিন গোয়ালন্দ পৌরসভায় জনপ্রতিনিধি না থাকায় এমন কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে
নগরবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ড থেকে বাজারের তোড়াইড় মোড় পর্যন্ত
প্রায় ১ কিলোমিটার প্রধান সড়কে অনেক খানাখন্দে ভরা স্থানে, মেরামতের কাজ চলছে।
স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বাসস্ট্যান্ড থেকে বাজার বড় মসজিদ পর্যন্ত
সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দে বেহাল দশা তৈরি হয়েছিল। এতে দুর্ভোগে ওয়ার্ডবাসী ও
চলাচলকারী জনসাধারণকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। ভাঙা রাস্তায় যান চলাচলেও দুর্ভোগ
পোহাতে হচ্ছিল এবং রাস্তাটি ভাঙা থাকার কারণে সিথিল বিশ্বাস সেতু নামে একজন তরুণ
অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যুবরণ করেন। জনসাধারণের দুর্ভোগের
বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে রাস্তাটির মেরামত চলছে। এ জন্য আমরা পৌরবাসী পৌর
কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ।
গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রকৌশলী মো. ফেরদৌস আলম খান বলেন, ‘পৌরবাসীর দুর্ভোগের কথা
চিন্তা করে বাসস্ট্যান্ড থেকে তোড়াইড় মোড় পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার সড়ক জরুরি
ভিত্তিতে সাময়িকভাবে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে।’
গোয়ালন্দ পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, ‘গোয়ালন্দ
পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড থেকে গোয়ালন্দ বাজারমুখী প্রধান সড়কটি খানাখন্দে ভরা ছিল।
এতে করে যানবাহনসহ এলাকাবাসীর চলাচলে অসুবিধা হচ্ছিল। জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে
জরুরি ভিত্তিতে ঈদের আগে রাস্তাটি মেরামত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে রাস্তাটির টেন্ডার
হয়েছে, ঈদের পরপরই নতুনভাবে কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হবে, তখন আর যানবাহন চলাচলে কোনো
ভোগান্তি হবে না।’

























