দেশের জ্বালানি সরবরাহ জোরদারে এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম
বন্দরে পৌঁছেছে। এর ফলে বন্দরে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম আরও বাড়বে।
এর মধ্যে ‘কুল ভয়েজার’ নামের জাহাজটি নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে এসেছে, যার
স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট। অপরদিকে চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস জার্নি’
জাহাজ, যার স্থানীয় এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং।
খালাস কার্যক্রম শেষ হলে আগামী বুধবার জাহাজ দুটি বন্দর ত্যাগ করবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, এলপিজি ও
এলএনজি নিয়ে দু’টি জাহাজ এখন চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় রয়েছে। যে কোনো সময় খালাস
কার্যক্রম শুরু হবে। তবে জাহাজ দু’টিতে কী পরিমাণ জ্বালানি রয়েছে, তা তিনি জানাতে
চাননি।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বন্দরে মোট চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস চলছে।
এর মধ্যে ৩১ মার্চ ভারত থেকে এলপিজি বহন করে ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ নামের একটি জাহাজ
আসে। এছাড়া ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ নামের
আরেকটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছায়।
‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ জাহাজ থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস করা হচ্ছে। অন্যদিকে
‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ বর্তমানে ডলফিন জেটিতে অবস্থান করছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের
সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতেই এসব জ্বালানি পণ্য দ্রুত
খালাসে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সবগুলো জাহাজ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পণ্য
খালাস সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সংকটে স্বস্তি ফিরবে
বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

























