সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি ট্যাংকার
বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
জাহাজটি আগামী ৪ বা ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানিয়েছেন, ইয়ানবু
বন্দর থেকে যাত্রা করা ট্যাংকারটি লোহিত সাগর উপকূল ঘেঁষে আসছে এবং আঞ্চলিক
উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে চলেছে। এতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জ্বালানি
সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই চালানটি দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখবে। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিকে ঘিরে তৈরি হওয়া
অনিশ্চয়তা কিছুটা কমবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
অন্যদিকে ‘নর্ডিক পোলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজ ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে এখনো
হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। ইরানের বিশেষ অনুমতি না পাওয়ায় জাহাজটি এখনও বাংলাদেশে
পৌঁছাতে পারেনি।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে, দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন
জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে, যার ৯২ শতাংশই আমদানিনির্ভর। ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে
প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড অয়েল পরিশোধন করে, যা মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে দেশে ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার টনের বেশি জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে। এর
মধ্যে পরিবহন খাতে ব্যবহার হয়েছে সর্বোচ্চ—৬৩ শতাংশের বেশি। পাশাপাশি কৃষি, শিল্প,
বিদ্যুৎ, গৃহস্থালি ও অন্যান্য খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহৃত হয়েছে।
জ্বালানির ধরন বিবেচনায় ডিজেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি, এরপর রয়েছে ফার্নেস অয়েল, জেট
ফুয়েল, পেট্রল ও অকটেন।
























