সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে
(ডিএসই) মূল্যসূচকের ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের
শেয়ারের দাম কমলেও বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর অভাবনীয় দরবৃদ্ধির ফলে সূচক ঊর্ধ্বমুখী
ছিল। তবে মূল্যসূচক বাড়লেও উভয় বাজারে মোট লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায়
উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
ডিএসইর লেনদেনের চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, দিনের শুরু থেকেই বিমা কোম্পানিগুলোর
শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক আগ্রহ ছিল, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে।
দিনশেষে ৪১টি বিমা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, বিপরীতে দর হারিয়েছে ১৬টি।
সার্বিকভাবে ডিএসইতে ১৫২টি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়লেও ১৮৬টি প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়েছে
এবং ৫৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর অপরিবর্তিত ছিল। এর ফলে ডিএসইর প্রধান সূচক
ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ১
পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে আজ লেনদেনের গতি ছিল মন্থর। বুধবার বাজারটিতে ৮৫৬ কোটি ৯
লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ১ হাজার ১০১ কোটি ৫২ লাখ টাকার তুলনায়
প্রায় ২৪৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কম। আজকের লেনদেনে শীর্ষে ছিল ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং,
আরডি ফুড এবং মুন্নু সিরামিক। এছাড়া লাভেলো আইসক্রিম, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং
এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কেনাবেচা হয়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) চিত্রটি ছিল ভিন্ন। সেখানে সার্বিক
সূচক সিএএসপিআই ১৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৭টি
প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৫টির দাম কমেছে এবং ৯৫টির দাম বেড়েছে। তবে সিএসইতে লেনদেনের
পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় বেড়ে ৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় পৌঁছেছে।

























