সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পতন হলেও লেনদেনের পরিমাণ
বেড়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক
এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয় বাজারেই এই চিত্র দেখা যায়। এর আগের কার্যদিবসেও সূচক
নিম্নমুখী ছিল।
দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৩১ পয়েন্টে অবস্থান
করে। পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬১ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৯
পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৭৯ পয়েন্টে নেমে আসে। ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি কোম্পানির শেয়ার ও
ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১১১টির দর বাড়লেও ২৩১টির দর কমে যায় এবং ৫১টির দর
অপরিবর্তিত থাকে। খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, তালিকাভুক্ত ২১টি খাতের মধ্যে
১৬টিতে নেতিবাচক প্রবণতা ছিল।
ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা, মিউচুয়াল ফান্ড, টেলিযোগাযোগ, ওষুধ, জ্বালানি,
বস্ত্র, খাদ্যসহ বেশিরভাগ খাতেই দরপতন হয়েছে। বিপরীতে সেবা ও আবাসন, তথ্যপ্রযুক্তি,
করপোরেট বন্ড, কাগজ ও মুদ্রণ এবং চামড়া খাতে কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়।
লেনদেনের শুরুতে কিছু সময় সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও পরে বিক্রির চাপ বাড়ায় বাজার
নিম্নমুখী হয়ে পড়ে এবং দিনের শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ শেয়ার দরপতনের মধ্যেই লেনদেন হয়।
ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায়
প্রায় ১৭ কোটি টাকা বেশি।
অন্যদিকে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২১ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭৮২ পয়েন্টে
দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে সিএসসিএক্স সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ২০ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০
সূচক ২৬ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৯১২ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যদিও শরিয়াহ সূচক সামান্য
বেড়ে ৯০১ পয়েন্টে পৌঁছায়।
সিএসইতে মোট ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৭৯টির দর বাড়ে, ৯৯টির
কমে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত থাকে। দিন শেষে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৯
কোটি ২০ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

























