চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই দেশের শেয়ারবাজার টানা দরপতনের চাপে রয়েছে। প্রতিদিনই
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর কমছে, ফলে
প্রধান সূচকসহ অন্যান্য সূচকও ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী থাকছে। তবে এ পরিস্থিতিতে
বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি বেড়েছে এবং লেনদেনের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসেও একই প্রবণতা অব্যাহত থাকে।
দিনের শুরুতে কয়েক মিনিট অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ায় সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
কিন্তু পরে অতিরিক্ত বিক্রির চাপে দ্রুতই বেশিরভাগ শেয়ারের দাম কমতে থাকে এবং শেষ
পর্যন্ত বাজার দরপতনের মধ্যেই লেনদেন শেষ হয়। বিক্রির চাপ থাকলেও অনেক সিকিউরিটিজে
ক্রেতার ঘাটতি দেখা যায়নি।
দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ৩৮৮টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৭৭টির দর বেড়েছে,
২৭৮টির কমেছে এবং ৩৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫২ পয়েন্ট হারিয়ে ৫ হাজার
১৭৮ পয়েন্টে নেমেছে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৩ পয়েন্টে এবং
ডিএসই-৩০ সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৬০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
লেনদেনের পরিমাণে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। আজ ডিএসইতে ৬৮৫ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার ও
ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ৬৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকার তুলনায় ২১ কোটি ৭৩ লাখ
টাকা বেশি। এর আগের দিনও লেনদেন বেড়েছিল।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই চিত্র দেখা গেছে। সার্বিক সূচক
সিএএসপিআই ২০৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৫৭৯ পয়েন্টে নেমেছে।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ১৯৮টি প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে ৫৩টির দর বেড়েছে, ১২৯টির
কমেছে এবং ১৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এই বাজারে মোট ৪৫ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ৫৯ কোটি ২০
লাখ টাকার তুলনায় কম।
























