Ajker Digonto
সোমবার , ২৮ অক্টোবর ২০১৩ | ৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন- আদালত
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আলোচিত মামলা
  8. খুলনা
  9. খেলা
  10. খেলাধুলা
  11. চট্টগ্রাম
  12. চট্টগ্রাম বিভাগ
  13. জাতীয়
  14. ঢাকা
  15. তথ্য প্রযুক্তি

!? গাছে ধরবে সোনা !?!

প্রতিবেদক
Staff Reporter
অক্টোবর ২৮, ২০১৩ ৬:২৪ অপরাহ্ণ
!? গাছে ধরবে সোনা !?!

Tree

‘গাছে টাকা ফলে’ বলে প্রবাদ থাকলেও বাস্তবে তা কখনোই হয় না।  তবে এবার বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন যে, টাকার চেয়েও মহামূল্যবান সোনা ফলতে পারে গাছে। খবর এএফপি’র।

মঙ্গলবার বিজ্ঞানীরা জানান, তারা দেখতে পেয়েছেন ইউক্যালিপটাস গাছের পাতায় সোনা ফলতে পারে। এই গাছের গভীর শিকড় মাটি থেকে নির্যাস নিয়ে সোনা তৈরিতে সক্ষম।

ন্যাচার কমিউনিকেশন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এই আবিস্কার সোনা সঙ্কটে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে। বিশ্বব্যাপী দিনদিনই সোনার মজুদ কমছে এবং দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

সাময়িকীটি জানায়, গত এক দশকে সোনার খনির আবিস্কার ৪৫ শতাংশ কমে গেছে।

নিবন্ধে বলা হয়, ইউক্যালিপটাস গাছের শিকড় শুকনো মৌসুমে মাটির গভীরে পৌঁছে পানি সংগ্রহ করে। অনেক সময় শিকড় সোনাসমৃদ্ধ স্তরে পৌঁছে যায় এবং সোনা তৈরির ক্ষুদ্রকণা আহরণ করে।

অস্ট্রেলিয়ার একদল বৈজ্ঞানিক বলেছেন, তারা দেখতে পেয়েছেন- এসব শিকড় সোনা আহরণ করতে পারে এবং সেগুলো পাতায় পরিবাহিত করতে পারে।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল জানায়, সভ্যতার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মাটির নিচ থেকে ১ লাখ ৭৪ হাজার টন সোনা আহরণ করা হয়েছে।

২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, বিশ্বে এখন মাত্র ৫১ হাজার টন সোনার মজুদ রয়েছে।

মহামূল্যবান এই ধাতুটির দাম গত কয়েক বছরে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০০ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সোনার দাম বেড়েছে ৪৮২ শতাংশ।

যত সোনা আহরণ করা হয়, তার ৬০ ভাগ দিয়ে অলঙ্কার বানানো হয়। এছাড়া ইলেকট্রনিক্সের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং ক্যান্সার চিকিৎসাসহ মেডিকেল প্রযুক্তি তৈরিতেও সোনা ব্যবহার করা হয়।

গাছে সোনা ফলার গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সম্ভাব্য সোনা মজুতের স্থানে ইউক্যালিপটাস গাছের বৃদ্ধি পরীক্ষা করেন। তারা এক্সরে ইমেজের মাধ্যমে গাছের পাতা, কাঠি, বাকল, আগাছা ও মাটিতে স্বর্ণ পরীক্ষা করেন।

ইউক্যালিপটাস গাছ ৩৩ ফুটের বেশি লম্বা হতে পারে এবং এর শিকড় ১৩২ ফুটের মত গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম।

তবে গাছে সোনার উপস্থিতি তেমন বেশি নয়। প্রতি টনে এক গ্রামের কয়েক হাজার ভাগের একভাগ সোনা পাওয়া গেছে। সোনার বেশি উপস্থিতি রয়েছে পাতায়।

গাছেও সোনার উপস্থিতি সনাক্ত করা গেছে। তবে সেই সোনা মাটি থেকে আহরণ করা হয়েছে নাকি তা বাতাসে সৃষ্টি হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

বিজ্ঞানীরা লিখেছেন, এ অবিস্কারের সূত্র ধরে ভবিষ্যতে হয়তো সোনার নিরবচ্ছ্ন্নি সরবরাহ ঠিক রাখার প্রযুক্তি আবিস্কৃত হতে পারে।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

অর্থ খরচ করে বিদেশ থেকে পর্যবেক্ষক আনবে না সরকার

শনিবার গোপালগঞ্জে ৪৯ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

গ্রামীণ মানুষকে শহরের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে জানতে চিঠি

মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে জানতে চিঠি

হাটহাজারীতে উপজেলা যুবদলের  সমাবেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকরের দাবী না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহবান

হাটহাজারীতে উপজেলা যুবদলের সমাবেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকরের দাবী না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহবান

জাতিসংঘ: ইরাকে আইএসের কব্জায় ৩৫০০ দাস

কৃষকদের স্বার্থেই সরকার বেশি দামে ধান কিনছে: খাদ্যমন্ত্রী

ডলার বিক্রির দর ১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কানাডার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে সরকার: ফখরুল