রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে ইউক্রেনের শস্য
রপ্তানি খাতে। চলতি বিপণন বছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) দেশটির শস্য সরবরাহ গত
বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের
(ইউএসডিএ) বৈদেশিক কৃষি পরিষেবা তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত
করেছে। ওয়ার্ল্ড-গ্রেইন ডটকম সূত্রে জানা গেছে, মূলত যুদ্ধের ফলে দেশটির
গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়াই এই পতনের
মূল কারণ।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুদ্ধের কারণে কৃষিজমি থেকে শুরু করে রপ্তানি
টার্মিনাল পর্যন্ত শস্য পৌঁছানো এখন অনেক বেশি কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এছাড়া
আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে শস্যের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা ক্ষতির
আশঙ্কায় এখনই শস্য বিক্রি না করে ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় বড় ধরণের মজুদ গড়ে তুলেছেন।
পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্ধারিত আমদানি কোটাও রপ্তানি হ্রাসের ক্ষেত্রে
নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
তবে বর্তমান সংকট সত্ত্বেও আগামী ২০২৬-২৭ বিপণন বছরের জন্য ইতিবাচক সম্ভাবনা দেখছে
ইউএসডিএ। অনুকূল আবহাওয়া ও উৎপাদন বৃদ্ধির সুবাদে বার্লি, ভুট্টা ও গমের রপ্তানি
পুনরায় বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন বাড়লে
ইউক্রেন আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের সরবরাহ ব্যবস্থা আবার শক্তিশালী করতে পারবে।
























